শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ১১:৪৩ পূর্বাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত খবর :
অটিস্টিক শিশুদের আবাসন ও কর্মসংস্থান করবে সরকার   ||   নারীর প্রতি যৌন ও পারিবারিক সহিংসতা ক্রমাগতই বাড়ছে   ||   শান্তিগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের নব-নির্বাচিত সভাপতি হলেন মৃত্যুঞ্জয়ী ছাত্রনেতা ছদরুল ইসলাম  ||

১০ম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ: যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক / ২৬৪ বার পঠিত:
আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২২
১০ম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ: যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

প্রায় ১১ বছর আগে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানাধীন কাজলারপাড় এলাকায় ১০ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় আরিফ নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাস কারাভোগের আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক এ এম জুলফিকার হায়াত এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ভিকটিমের দুই বান্ধবীসহ তিনজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। খালাসপ্রাপ্তরা হলেন- ভিকটিমের দুই বান্ধবী ফাতেমা আক্তার শান্তা ও আরিফা আক্তার ইতি এবং শান্তার ভাই শিপন। এদিন চার আসামির উপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করেন বিচারক। রায় ঘোষণা শেষে সাজাপ্রাপ্ত আরিফকে সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১১ সালের ৩১ জুলাই বিকেলে আরিফসহ অপর তিন আসামির সঙ্গে ভিকটিমের কথা কাটাকাটি ও তর্ক-বিতর্ক হয়। ওই বছরেরই ৩ আগস্ট সন্ধ্যায় ভিকটিমের পরিবার ইন্টারনেটে ভিকটিমের সঙ্গে আরিফের যৌন সম্পর্কের দৃশ্য দেখতে পায়। পরে পরিবারের জিজ্ঞাসাবাদে ভিকটিম জানায়, একই বছরের ৭ জুন সকালে স্কুলে যাওয়ার পথে দুই বান্ধবী তাকে শান্তার বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে তাকে চকলেট খেতে দেয়। চকলেট খাওয়ার পর সে অস্বাভাবিক হয়ে পড়ে এবং তার ঘুম ঘুম ভাব হয়। সকাল ১০টার দিকে আরিফ শান্তদের বাসায় আসে এবং ভিকটিমকে ধর্ষণ করে। অপর তিন আসামি সেই মুহূর্তের ছবি ধারণ করে। পরে হুমকি-ধামকি দিয়ে ভিকটিমকে বাসা থেকে বের করে দেয়।

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় তার বাবা ২০১১ সালের ৬ আগস্ট চারজনকে আসামি করে যাত্রাবাড়ী থানায় একটি মামলা করেন। একই বছরের ১৬ ডিসেম্বর যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাজহারুল ইসলাম চারজনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলায় ১৬ সাক্ষীর মধ্যে ১১ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ