শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ০৯:৪৯ পূর্বাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত খবর :
অটিস্টিক শিশুদের আবাসন ও কর্মসংস্থান করবে সরকার   ||   নারীর প্রতি যৌন ও পারিবারিক সহিংসতা ক্রমাগতই বাড়ছে   ||   শান্তিগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের নব-নির্বাচিত সভাপতি হলেন মৃত্যুঞ্জয়ী ছাত্রনেতা ছদরুল ইসলাম  ||

সুনামগঞ্জের উন্নয়নের স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে “ম্যাজিশিয়ান” পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান নামটি

শাহীন আলম সানী / ১৫৯৫ বার পঠিত:
আপডেট সময় : রবিবার, ৪ জুলাই, ২০২১
সুনামগঞ্জের উন্নয়নের স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে "ম্যাজিশিয়ান" পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান নামটি

সুনামগঞ্জ জেলা হাওর-বাওর অধ্যুষিত এলাকা। আমাদের এই জেলার বেশীরভাগ মানুষ কৃষি নির্ভরতার উপর ভিত্তি করেই চলে।সুনামগঞ্জ জেলায় বর্ষা এলেই পানিতে টইটুম্বুর হয়ে যায়।প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে অনেক সময় দেখা যায় মানুষের ফসলগুলো ঠিকমতো ঘরে তুলতে পারে না।এই প্রাকৃতিক প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে সুনামগঞ্জের মানুষের দিনগুলি সুখে-দুঃখে এভাবেই যাচ্ছিলো।সুনামগঞ্জের মানুষ যখন স্বাস্থ্য,উচ্চশিক্ষা,কারিগরি শিক্ষা এবং মেডিকেল শিক্ষার দিক দিয়ে অন্ধকারে নিমজ্জিত হচ্ছিলো।ঠিক এই ক্রান্তিলগ্নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শ্রেষ্ঠ আবিষ্কার হিসেবে আমরা পেয়েছি, আমাদের হাওরপারের সন্তান,আমাদের তথা সারা বাংলার গর্ব পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানকে।

কিভাবে? তার দু,একটা করে বলছি।

আমাদের ভাটি অঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্য নিশ্চয়তার জন্য একটু ভালো সার্ভিস দরকার হলেই,আমাদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল ছাড়া কিংবা সিলেটের বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টার ছাড়া কোন উপায় থাকে না। এক্ষেত্রে অনেক সময় দেখা যায় সুনামগঞ্জ থেকে সিলেটে রোগী নিয়ে যেতে যেতেই অনেকেই রাস্তায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পরেন।একটু অন্যভাবে চিন্তা করুন তো? ধরুন আপনার ভালো চিকিৎসার প্রয়োজন হলো! আর সেটা যদি আপনি দিরাই’র রাস্তার পাশে “বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ” পান, তাও বাড়ির পাশে খুব সহজে।তাহলে নিশ্চয়ই আপনার অনুভূতি অনেক ভালো হওয়ার কথা। এবার আসুন একটু ভিন্নভাবে বর্ণনা করি; আপনার কোন ছেলে অথবা মেয়ে যদি এই মেডিকেল কলেজে এববিবিএস করার জন্যে চান্স পায়,অথবা ডাক্তারী পাশ করে সেখানে চাকরি করে, সে কিন্তু বাড়ি থেকেই তার পড়াশুনা কিংবা চাকরি চালিয়ে যেতে পারবে অতি সহজেই। যেটা বর্তমান সময়ে আমাদের সুনামগঞ্জ জেলার অনেক ছেলেমেয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অনেক কষ্ট করে এই বিষয়গুলির মুখোমুখি হয়ে এমবিবিএস বা ডাক্তারী পাস করছে। আর এই সম্পূর্ণ প্রসেসটা আমাদের জন্য সহজ করে দিয়েছেন আমাদের সুনামগঞ্জের উন্নয়নের ম্যাজিশিয়ান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান মহোদয়। একটি মেডিকেল কলেজ স্থাপন করা চারটে খানি কথা নয়।সুনামগঞ্জ জেলায় এর আগে অনেক রথী মহারথী ছিলেন! নিশ্চয়ই সেই বিষয়গুলো আমাদের অজানা নয়। ইতিমধ্যে আমাদের বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস প্রথম ব্যাচের ক্লাস শুরু হয়ে গেছে।কতটুকু দূরদর্শী হলে পরে এত দ্রুত একটি কার্য সম্পাদন করা যায়! যা স্বচক্ষে এম এ মান্নানকে না দেখলে কারো পক্ষে বিশ্বাস হতো না।

এবার আসি আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গে; সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।আমাদের মতো ছেলে মেয়েরা যারা বাড়ির বাহিরে থেকে পড়াশোনা করতেছি তারা নিশ্চয়ই জানেন কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাড়ির বাহিরে থেকে পড়াশোনা করা কতটুকু কষ্টদায়ক। বাহিরে পড়াশোনা করতে গেলে কি কি কষ্ট ত্যাগ স্বীকার করতে হয়,যারা বাহিরে থেকে লেখাপড়া করেন তারা নিশ্চয়ই এই বিষয় সর্ম্পকে ধারনা রাখেন। বিশেষ করে পরিবারের কাছ থেকে দূরে থাকা এই বিষয়টি অধিক কষ্টদায়ক। আর বিশ্ববিদ্যালয় যদি হয় আপনার বাড়ীর পাশে! আপনি আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস করে আবার বাড়িতে এসে ঘুমাতে পারছেন। বিষয়টা চিন্তা করতেই অনেক প্রশান্তি কাজ করে। কিন্তু হ্যাঁ এটাই বাস্তব। এইসব কল্পনাকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন শেখ হাসিনার শ্রেষ্ঠ আবিষ্কার এম এ মান্নান। আমাদের সুনামগঞ্জ জেলার ছেলে-মেয়েরা উচ্চশিক্ষার জন্য সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর ফোকাস করে কঠোর পরিশ্রম করতে হতো। কিন্তু বহুল প্রতীক্ষিত আমাদের সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় দেখার হাওরের সৌন্দর্যকে আরো বর্ধিত করে নির্মিত হচ্ছে। যে সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ভবনগুলো নির্মিত হয়ে যাবে,বর্ষার মৌসুমে চারদিকে পানি এবং শাপলা ফুলের মাঝখানে একটি ছোট্ট দ্বীপ এবং ফসলের মৌসুমে চারদিকে চিরসবুজ এবং মাঝখানে একটি ছোট্ট ভূখন্ড থাকবে আর সেটা হচ্ছে সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। এই দৃষ্টিনন্দন বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করতে গিয়ে এম এ মান্নান অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন সেটা আমাদের সবার জানা আছে এবং আজীবন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ থাকবে।আর এই বিশ্ববিদ্যালয় স্হাপনে কারা বাধাগ্রস্থ করেছে সেটাও সবার জানা। কিন্তু সব বাধা অতিক্রম করে এম এ মান্নান যিনি উন্নয়নের মহারথী মহাবীর! তিনি নিয়ে এসেছেন সুনামগঞ্জ বাসীর জন্য সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।একদিন এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তৈরি হবে বিজ্ঞানী,গবেষক,শিক্ষক,কূটনীতিক, ইঞ্জিনিয়ার,রাজনীতিবিদ সহ বিভিন্ন জনেরা।যারা কাজ করবে বিশ্বের দরবারে এবং ব্রান্ডিং করবে বাংলাদেশকে। চিন্তা করুন তো! যারা বিশ্বের মধ্যে তাদের মেধা দিয়ে আগামীতে বিপ্লব তৈরি করবে, তাদের তৈরি যদি হয় সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সেটা কেমন হবে? সব থেকে বড় কথা হলো; আপনার ছেলেমেয়েরা বাড়িতে থেকেই জীবন গড়ার এবং নিজেকে প্রমাণ করার এত বড় সুযোগের হাতছানি পাচ্ছে।সেটা একমাত্র এম এ মান্নানের কারণেই সম্ভব হয়েছে।এম এ মান্নান সুনামগঞ্জ বাসীর জন্য আল্লাহর রহমতও নিঃসন্দেহে। বাংলাদেশ তৈরীর পর থেকে যখন এই জায়গায় মেডিকেল কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন হয় নাই এবং এম এ মান্নানের কারণেই এগুলি হচ্ছে সুতরাং অকপটে কৃতজ্ঞতা স্বীকার করাই শ্রেয়।অন্যতায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে বাধা প্রদানকারীদের ন্যায় আপনিও ইতিহাসের কালো তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হবেন। আমাদের সবার ভুলে গেলে চলবে না, মানুষ মরে গেলেও ইতিহাস কখনো মরে না। যখন সারা বাংলাদেশ সহ বিশ্বের বিভিন্ন জায়গা থেকে সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে ছাত্রছাত্রীরা পড়ার জন্য আসবে,তখন সুনামগঞ্জের নান্দনিকতা এক অনন্য উচ্চতায় চলে যাবে।কবি,সাধক,বাউলদের সুনামগঞ্জকে নিয়ে তারা গবেষণা করবে।সুনামগঞ্জকে ব্র্যান্ডিং করতে সবথেকে বড় ভূমিকা পালন করবে সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।আপনার কোন সন্তান যদি সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে লেখাপড়া করে সেখানে শিক্ষকতা করে,আপনি একটু ভাবুন তো? আপনার ছেলে অথবা মেয়ে মায়ের আঁচলে থেকেই তার চাকরী-বাকরী করছে বা করবে। নিশ্চিত সে সময় এম এ মান্নানের জন্য মোনাজাতে হাত তুলতে আপনি কোনো কার্পণ্য করবেন না।

মাননীয় পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান একদিন টেলিভিশনে কচুরিপানাকে নিয়ে গবেষণা করে কিভাবে তা বিভিন্ন রূপে জাতদান করে কাজে লাগানোর উপযোগী করা যায় সে বিষয়ে বলছিলেন। মিডিয়া ট্রায়ালের কারণে সেটিকে নিয়ে অনেক ট্রল হয়েছে।
কিন্তু বিশ্বাস করুন এম এ মান্নানের সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক দল দেখার হাওরের কচুরিপানাকে নিয়ে গবেষণা করবে এবং তারা কচুরিপানার জীবনরহস্য উন্মোচন করবে। যেমনি ভাবে পাটের জীবনরহস্য উন্মোচন করেছিলেন বাংলাদেশী বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম এবং তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে গেছেন বিশ্ব ইতিহাসে।জায়গা করে নিয়েছেন মহামুনির তালিকায়। ঠিক তখন শ্রদ্ধার সাথে আমরা স্মরণ করব এমএ মান্নানের দূরদর্শিতাকে।তখন আমাদের কাছে আরো ক্লিয়ার হবে এম এ মান্নানের আপগ্রেড চিন্তাভাবনা গুলি। যেগুলি এখন আমাদের মাথায় কুলাচ্ছে না,বিধায় আমরা এম এ মান্নানের উন্নয়নের বিভিন্ন কাজে বিভিন্ন সময় বিরাট বাধা সৃষ্টি করছি।

এবং তা সম্পূর্ণ না বুঝেই নির্বোধের মতো।

বিশ্ব দরবারে যখন বাংলাদেশের নাম আসে তখন গার্মেন্টস সেক্টরটা বাংলাদেশকে ব্র্যান্ডিং করতে প্রথমেই চলে আসে। সুনামগঞ্জের ছেলেমেয়েদের টেক্সটাইল সম্পর্কে জ্ঞান প্রদানের জন্য এম এ মান্নান সুনামগঞ্জের জন্য সবথেকে বড় উপহার হিসাবে নিয়ে এসেছেন সুনামগঞ্জ টেক্সটাইল ইন্সটিটিউট। সুনামগঞ্জ টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ইতিমধ্যে তার ভবনগুলো মাথা উঁচু করে বীরের বেশে সুনামগঞ্জ-সিলেট হাইওয়ের পাশে দাঁড়িয়ে আছে।করোনাকালীন প্যানডেমিকের পরপরই টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট তার ক্লাসগুলো শুরু করতে যাচ্ছে। যখন একটি জেলা কিংবা বিভাগ টেক্সটাইল সম্পর্কে কোন ধারণাই রাখত না! সব ঢাকা থেকে হায়ার করে নিয়ে আসা ছেলেমেয়ে দিয়ে টেক্সটাইল রিলেটেড সব কাজ সম্পাদন করতে হতো, ঠিক সেই জায়গায় আপনার ছেলে বা মেয়ে এই সেক্টরে বড় বড় কাজ ডিল করছে, একটিবার ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করুন সেই সময়টার অনুভূতি আপনার কেমন হবে? আপনার ছেলে মেয়ে গুলি টেক্সটাইল রিলেটেড জুট স্পিনিং শেড,কটন স্পিনিং শেড,ফেব্রিক শেড,ডাইং শেডের মতো বড়-বড় বিষয়গুলিতে জ্ঞান অর্জন করছে!
টেক্সটাইল এক্সপার্ট হয়ে বেরিয়ে দেশে-বিদেশে সুনাম কুড়াচ্ছে, বিষয়টা নিশ্চয়ই আপনার জন্য অনেক আনন্দের সংবাদ হবে তখন।
এম এ মান্নান না হলে এগুলি সত্যি বাস্তবে হতো?

হ্যাঁ হতো! তবে একশ বছর পর। কেননা এম এ মান্নান একশ বছরে একটাই জন্মায়। ইতিমধ্যেই সুনামগঞ্জ টেক্সটাইল ইন্সটিটিউট একাডেমিক ভবন,শিক্ষক ডরমিটরি,ছাত্র হোস্টেল,ছাত্রী হোস্টেল কমপ্লিট হয়ে গেছে। এম এ মান্নানের কারণেই সিলেট বিভাগের মধ্যে সুনামগঞ্জ টেক্সটাইল ইন্সটিটিউট একটি অনন্য রোল মডেল হবে বিভাগ বাসীর জন্য। টেক্সটাইল জগতে একটি মাইলফলক এনে দিলেন সুনামগঞ্জ বাসীর জন্য হাওররত্ন এম এ মান্নান। যে মানুষটা দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে, শেখ হাসিনার কাছ থেকে সুনামগঞ্জ বাসের জন্য এত উপহার এনে দিলেন, সেই মানুষটার উন্নয়নের কাজে কতটুকু নিম্নমানের মন মানসিকতার মানুষ হলে পরে বাধা দিতে পারে আমার বুঝে আসেনা।

সুনামগঞ্জবাসী’র জন্য আগে যোগাযোগ ব্যবস্থা ছিলো অনেক খারাপ সে খারাপ যোগাযোগব্যবস্থা থেকে মাননীয় পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান সুনামগঞ্জ জেলাকে রাস্তাঘাট ব্রিজ-কালভার্ট দিয়ে একটি নেটওয়ার্কের ভিতরে এনেছেন, শুধু তাই নয় ঢাকার সাথে সুনামগঞ্জের দূরত্ব কমিয়েছেন আড়াই ঘন্টা এবং আপনারা জানলে খুশি হবেন যে ঢাকা সহ সারা বাংলাদেশের সাথে রেল যোগাযোগ স্থাপন করতে যাচ্ছে সুনামগঞ্জ জেলা। এই রেলে চরে অথবা কম দূরত্বে অতিদ্রুত ঢাকা থেকে এসে আমাদের মেডিকেল কলেজে কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ে অথবা টেক্সটাইল ইন্সটিটিউট এ ক্লাস, শিক্ষকতা কিংবা প্রয়োজন সারতে পারবেন জেলাবাসী সহ সমস্ত দেশ অথবা উপভোগ করতে পারবেন সুনামগঞ্জের নান্দনিক সৌন্দর্য তখন সুনামগঞ্জের পর্যটন শিল্পটাও অনন্য উচ্চতায় চলে যাবে।

একটি জনপদ যখন খাদ্য,চিকিৎসা, বাসস্থান এবং উচ্চশিক্ষার নিশ্চয়তা পায় তখন তাদের অবকাঠামো শক্ত এবং পোক্ত হয়ে যায়। সেই জনপদ কিংবা জনগোষ্ঠীকে তখন দাবায়া রাখতে কেউ পারেনা। এই সুনামগঞ্জের কৃষিনির্ভর মানুষগুলির ছেলেমেয়েরা একদিন সমস্ত দেশসহ বহির্বিশ্বে সুনাম কুড়াবে। সুনামগঞ্জ থেকে বড় বড় ডাক্তার তৈরি হবে! বড় বড় ইঞ্জিনিয়ার তৈরি হবে! গার্মেন্টস এবং টেক্সটাইল শিল্পে অবদান রাখবে! ভালো মানুষ বাড়বে আর সেই সব সমস্ত বিষয়গুলি সম্ভব হচ্ছে শেখ হাসিনার শ্রেষ্ঠ আবিষ্কার এম এ মান্নানের কারণেই সুতরাং সুনামগঞ্জবাসী এম এ মান্নান কে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে,পৃথিবী যতদিন রবে।

পানিতে তলিয়ে যাওয়া একটি জনপদকে উন্নত করণে এইসব ইন্সট্রুমেন্টাল বিষয়গুলির বিকল্প আর কিছুই নেই। মেডিকেল কলেজ,বিশ্ববিদ্যালয় এবং টেক্সটাইল ইন্সটিটিউট,রাস্তাঘাট,রেল এগুলি অনেকেই তাদের এলাকায় নিয়ে যাওয়ার জন্য এখনও স্বপ্ন দেখছে এবং তারা বড় বড় মুনিও বঠে কিন্ত পারছে না।

আর আমাদের সুনামগঞ্জ জেলা মেডিকেল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট চোখের সামনে দিন দিন দৃশ্যমান হচ্ছে। এই বিষয়গুলোর দিকে তাকালেই এম এ মান্নানের উন্নয়নের দূরদর্শিতা কিছুটা হলেও অনুধাবন করা যায়। সুনামগঞ্জ জেলা বাসীর জন্য যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের এক বিপ্লব ঘটিয়েছেন ম্যাজিক ম্যান এম এ মান্নান। ডাবর হয়ে জগন্নাথপুর হয়ে কুশিয়ারা নদীর উপর ব্রিজ দিয়েছেন যাতে অতি দ্রুত ঢাকার সাথে জেলাবাসী সংযোগ করতে পারে। এখন ঢাকার সাথে সুনামগঞ্জের রেল সংযোগ করতেছেন! সুনামগঞ্জ হয়ে কিশোরগঞ্জ নেত্রকোনা হয়ে আবার ঢাকা। এই যে বৈশ্বিক মানের উন্নয়ন এগুলো শুধু এম এ মান্নান দ্বারাই সম্ভব।

কিছুদিন আগে আবার দেখলাম পরিকল্পনামন্ত্রীর মুখ নিঃসৃত হয়েছে সুনামগঞ্জে বিমানবন্দর হবে। এটা নিয়েও অনেক মানুষ ট্রল করতেছেন। কিন্তু বিশ্বাস করুন, আমরা এম এ মান্নানের এত এত উন্নয়ন দেখেছি এবং তিনি তা পেরেছেন খুবই মেধার সাথে এবং দক্ষতার সাথে। সুতরাং সুনামগঞ্জে বিমানবন্দর হওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয়! যেহেতু এম এ মান্নান একবার বলেছেন সুনামগঞ্জে বিমানবন্দর হবে! হয়তোবা তিনি বিমানবন্দরের প্ল্যানটা করেই তারপর এই কথাগুলো বলেছেন। কারণ আমরা ইতিমধ্যে দেখেছি এম এ মান্নান কথায় নয় কাজে বিশ্বাসী। সুতরাং আজ হোক কাল হোক সুনামগঞ্জে বিমানবন্দর হবেই হবে।

সুনামগঞ্জের উন্নয়নকে আর কেউ দাবায়া রাখতে পারবেনা।একটি জনপদকে আধুনিকায়ন করতে যে বিষয়বস্তুর প্রয়োজন হয়,সে সবগুলোই এম এ মান্নান পরিপূর্ণ করে যাচ্ছেন,যাতে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে সুনামগঞ্জের মানুষ তার নিজস্ব স্বকীয়তা ধরে এক অনন্য উচ্চতায় চলে যেতে পারে। আমার মনে হয় সবচেয়ে নির্বোধ বোকা এবং আকলমন্দ তারাই! যারা এম এ মান্নানের মতো এরকম একজন মানুষ পেয়ে উনার উন্নয়নের কাজকে বাধাগ্রস্ত করে গণমানুষের অধিকার কেড়ে নিচ্ছে।

তবে শোনো হে বোকারা! এম এ মান্নানের এলাকার মানুষ এখন নির্বোধ নয়!এম এ মান্নানের মত দূরদর্শী এবং মেধাবী মানুষ যে জনগোষ্ঠী পেয়েছে তাদেরকে ভুল বুঝিয়ে লাভ নেই! তারা শেখ হাসিনার শ্রেষ্ঠ আবিষ্কার এম এ মান্নানকে বিশ্বাস করে। ইতিমধ্যে তিনি তার কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জনমানুষের বিশ্বাস এবং আস্থা অর্জন করে ফেলেছেন। লক্ষ্য রেখো সাধারণ মানুষকে ভুল বুঝাতে গিয়ে তোমাদের যেন সলিল সমাধি না হয়।

সুনামগঞ্জ জেলা বিদ্যুৎ গতিতে যে উন্নয়নের মুখ দেখছে তা একমাত্র সম্ভব হয়েছে এম এ মান্নানের জন্য।
হাওর পাড়ের অজোপাড়া গ্রাম থেকে একটি ছেলে তার মেধা দিয়ে শিক্ষা অর্জন করে, আজকে দেশের নীতি নির্ধারণের জায়গায় বসে দেশ পরিচালনায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সাহায্য করছেন,নিশ্চয়ই তিনি সুনামগঞ্জ জেলা বাসীর তরুন-তরুনীর সবথেকে বড় অনুপ্রেরণা।

হয়তো সেদিন বেশি দূরে নয়! যেদিন এম এ মান্নানের উপর মানুষ থিসিস করে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করবে।বের হবে এম এ মান্নানের উপর লিখে শতশত বই।এম এ মান্নান অনেক তরুণ-তরুণীর আইডল! সেটা হয়তো তিনি নিজেও জানেন না। তাই সুনামগঞ্জের উন্নয়নের ম্যাজিক ম্যানকে বাধাগ্রস্ত নয় বরং সহযোগিতা করুন এবং সেটি শ্রেষ্ঠ এবং শ্রেয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ