শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ০৮:২৬ পূর্বাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত খবর :
অটিস্টিক শিশুদের আবাসন ও কর্মসংস্থান করবে সরকার   ||   নারীর প্রতি যৌন ও পারিবারিক সহিংসতা ক্রমাগতই বাড়ছে   ||   শান্তিগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের নব-নির্বাচিত সভাপতি হলেন মৃত্যুঞ্জয়ী ছাত্রনেতা ছদরুল ইসলাম  ||

ভাইয়া গ্রুপের বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ান ব্যবসায়ীর সংবাদ সম্মেলন

আহমাদুল কবির,মালয়েশিয়া / ২২৮ বার পঠিত:
আপডেট সময় : বুধবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২২
ভাইয়া গ্রুপের বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ান ব্যবসায়ীর সংবাদ সম্মেলন

সময়মতো কন্টেইনার নেওয়া ও ফেরত না দেওয়ায় আর্থিক ক্ষতির অভিযোগ এনে বাংলাদেশি কোম্পানি ভাইয়া গ্রুপের (আরাফাত ট্রেডিং) বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে মালয়েশিয়ার মাহিমা ইন্টারন্যাশনাল এসডিএন, বিএইচডির স্বত্বাধিকারী মো. আজম বিন হাসবি। সোমবার (১৭ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় রাত ৯টায় কুয়ালালামপুরের বুকিত বিনতাংয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি এ লিখিত অভিযোগ উত্থাপন করেন। এর আগে একই অভিযোগে স্থানীয় থানায় ভাইয়া গ্রুপের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের ও কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশনে লিখিত অভিযোগ করেন ওই মালয়েশিয়ান নাগরিক।

লিখিত অভিযোগে মোহাম্মদ হাসবি বলেন, বাংলাদেশি কোম্পানি ভাইয়া গ্রুপের (আরাফাত ট্রেডিং) সঙ্গে মালয়েশিয়া থেকে পণ্য আমদানি রপ্তানির জন্য আমার কোম্পানি মাহিমা ইন্টারন্যাশনাল এসডিএন, বিএইচডির ম্যানেজার মো. নাঈম হোসেনের মাধ্যমে চুক্তিবদ্ধ হই। চুক্তির পর মালয়েশিয়ার সব প্রক্রিয়া মেনে ২৯ মার্চ ২০২১ ১৫ টন গুড়াদুধ (যার বাজারমূল্য ৩৪১৫০ ইউএসডি) মালয়েশিয়ার পোর্ট ক্লাং থেকে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে পাঠানো হয়। যার এলসি নং (০৯৯৮২০০১১৯৮৪)।

গুড়া দুধের কন্টেইনার চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছালে শুরুতেই তা দ্রুত খালাস করা হবে বলে আশ্বস্ত করেন ভাইয়া গ্রুপ (আরাফাত ট্রেডিং) মালয়েশিয়ার সমন্বয়ক মোহাম্মদ সামির খান। কিন্তু পরবর্তিতে সমন্বয়ক সামির ও ভাইয়া গ্রুপ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বার বার যোগাযোগ করা হলেও তারা বিষয়টি সুরাহা না করে ঝুলিয়ে রাখে। গেলো ৮ মাসেও মালয়েশিয়া থেকে পাঠানো এ পণ্য গ্রহণ ও ফেরত না দেওয়ায় আইনি পদক্ষেপ, কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশনে লিখিত অভিযোগ ও সংবাদ সম্মেলন করতে বাধ্য হন বলে জানান মোহাম্মদ আজম বিন হাসবি নামে ওই মালয়েশিয়ান নাগরিক।

সংবাদ সম্মেলনে মাহিমা ইন্টারন্যাশনাল এসডিএন বিএসডির অংশীদার রাসেল রানা অভিযোগ করে বলেন, আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি বিষয়টি সমাধানের কিন্তু ভাইয়া গ্রুপ (আরাফাত ট্রেডিং) কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আমরা কোনো সাড়া না পাওয়ায় বাধ্য হয়েছি আইনি পদক্ষেপ নিতে। বিষয়টি নিয়ে গ্রুপের চেয়ারম্যান মারুফ সাত্তার আলির সঙ্গেও কথা বলেছি। এ ধরনের ঘটনায় দু’দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কে প্রভাব ফেলবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বিষয়টি সু-নজরে এনে দ্রুত সমাধানে বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন রাসেল রানা। ভবিষ্যতে যাতে কেউই এ ধরনের প্রতারণার শিকার না হয় সে বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের নজরদারি বাড়ানো উচিত জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ