বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪, ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত খবর :
অটিস্টিক শিশুদের আবাসন ও কর্মসংস্থান করবে সরকার   ||   নারীর প্রতি যৌন ও পারিবারিক সহিংসতা ক্রমাগতই বাড়ছে   ||   শান্তিগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের নব-নির্বাচিত সভাপতি হলেন মৃত্যুঞ্জয়ী ছাত্রনেতা ছদরুল ইসলাম  ||

গয়না বিক্রিতে রাজি না হওয়ায় স্ত্রীর কব্জি কাটলেন স্বামী!

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি / ৫০৪ বার পঠিত:
আপডেট সময় : শনিবার, ১৩ মার্চ, ২০২১
গয়না বিক্রিতে রাজি না হওয়ায় স্ত্রীর কব্জি কাটলেন স্বামী!

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার পিয়াইম গ্রামে গয়না বিক্রিতে রাজি না হওয়ায় ফাহিমা বেগম নামের এক গৃহবধূর (২৩) হাতের কব্জি কেটে ফেলেছেন তার স্বামী শামীম মিয়া (৩২)। শুক্রবার (১২ মার্চ) সকালে গুরুতর আহত অবস্থায় ওই গৃহবধূকে হবিগঞ্জের ২৫০ শয্যার জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক।

ফাহিমার বড় ভাই আজিজুর রহমান বলেন, দুই বছর আগে পিয়াইম গ্রামের ব্যবসায়ী শামীম মিয়ার সঙ্গে তাঁর ছোট বোন ফাহিমার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই নানা সময় বাবার বাড়ি থেকে টাকা এনে দেওয়ার জন্য ফাহিমাকে চাপ দিতেন শামীম। একাধিকবার তাঁরা টাকা দিয়েছেনও। এরপরও ফাহিমার ওপর শারীরিক নির্যাতন কমেনি। সম্প্রতি ফাহিমাকে তাঁর গয়না বিক্রির জন্য চাপ দিয়ে আসছিলেন শামীম। কিন্তু ফাহিমা রাজি না হওয়ায় নির্যাতনের মাত্রা আরও বাড়ে। আজ শুক্রবার সকালে এ নিয়ে আবার কথা-কাটাকাটি হয় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে। একপর্যায়ে শামীম ঘরে থাকা দা দিয়ে ফাহিমার বাঁ হাতের কবজি কেটে ফেলেন। পরে প্রতিবেশী ও আত্মীয়স্বজন ফাহিমাকে উদ্ধার করে প্রথমে মাধবপুর উপজেলা হাসপাতালে এবং পরে হবিগঞ্জের ২৫০ শয্যার জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। তাঁর অবস্থা সংকটাপন্ন।

শামীম মিয়ার প্রতিবেশী রাফেল মিয়া বলেন, শামীমের বিরুদ্ধে স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগে সামাজিকভাবে একাধিকবার সালিস বৈঠকও হয়েছে। কিন্তু তার মধ্যে কোনো পরিবর্তন আনা সম্ভব হয়নি। মাধবপুর থানার ওসি মুহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক বলেন, নির্যাতনের বিষয়ে ওই গৃহবধূ বা তার পরিবারের কেউ পুলিশের কাছে আসেননি। তবে পুলিশ নিজ উদ্যোগে বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ