শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ১০:১৭ পূর্বাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত খবর :
অটিস্টিক শিশুদের আবাসন ও কর্মসংস্থান করবে সরকার   ||   নারীর প্রতি যৌন ও পারিবারিক সহিংসতা ক্রমাগতই বাড়ছে   ||   শান্তিগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের নব-নির্বাচিত সভাপতি হলেন মৃত্যুঞ্জয়ী ছাত্রনেতা ছদরুল ইসলাম  ||

এই উইকেটে এখন বোলারদের করণীয় কী? বললেন গিবসন

বিশেষ সংবাদদাতা / ১৭৬ বার পঠিত:
আপডেট সময় : রবিবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২২
এই উইকেটে এখন বোলারদের করণীয় কী? বললেন গিবসন

বাংলাদেশের নামী প্রশিক্ষক ও বিশেষজ্ঞ নাজমুল আবেদিন ফাহিম জাগো নিউজের সাথে একান্ত আলাপে বলেছেন, উইকেটে যখন ন্যাচারাল ও সিম ম্যুভমেন্ট কম থাকে বা একদম থাকেই না- তখন লাইন লেন্থ ঠিক রেখে বোলিং আর রান গতি নিয়ন্ত্রনে রাখতে নেগেটিভ বোলিংটাও খুব জরুরি। তিনি বলেই ফেলেছেন, বাংলাদেশের বোলাররা নেগেটিভ বোলিং করতে শেখেনি এখনো। খুব স্বাভাবিকভাবেই মনে হচ্ছিল, এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশের পেস বোলিং কোচ ওটিস গিবসনের মত কী? তিনি কী মনে করেন? উইকেটে ন্যাচারাল ম্যুভমেন্ট না থাকলে আসলে করনীয় কী? সেটাই বা কতটা জানা বাংলাদেশের?

কথা শুনে মনে হচ্ছে টাইগার পেস বোলিং কোচও মানছেন আসলে এমন পিচের বোলিংটা শিখতে হবে বাংলাদেশের পেসারদের। আর তাই মুখে এমন কথা, ‘আজকে থেকে শিখতে হবে আমাদের।’ পেসারদের কী কী ভুল ছিল, তারা কোন কাজগুলো ঠিকমত করতে পারেননি? তার ব্যাখ্যা দিয়ে গিবসন বলেন, ‘আজকে আমরা বাউন্ডারি বল বেশি করেছি, অফ স্ট্যাম্পের অনেক বাইরে বল বেশি ফেলেছি। আমরা লেন্থ মিস করেছি কোথায়? আমরা হয় শর্ট বল করে কাট শট হজম করেছি অথবা বেশি ফুল করেছি। ওরা ড্রাইভ খেলেছে। দুটির একটি করা যায়, দুটিই করা যায় না। নিউজিল্যান্ডকে ডাউন দ্য গ্রাউন্ড ও উইকেটে উভয় পাশেই স্কোর করার সুযোগ দিয়েছি। আমরা সবসময় লেন্থ নিয়ন্ত্রণ করা নিয়ে কথা বলেছি। আমার মন্ত্র হলো, লেংথ নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে স্কোরিং বাগে রাখা যায় না। আজকে আমরা চাপ তৈরি করার মতো লেন্থ নিয়ন্ত্রণ যথেষ্ট করতে পারিনি।’

ম্যাচের বর্তমান অবস্থায় লেন্থ নিয়ন্ত্রন খুব জরুরি মানছেন গিবসন, ‘কালকের জন্য এটি অবশ্যই শিখতে হবে। আশা করি, সবাইকে তরতাজা পাব। আজকে ওদের অনেক খাটুনি গেছে। কালকে আশা করি, সবাইকে তরতাজা পাব এবং দেখা যাবে আজকের চেয়ে পারফরম্যান্সে উন্নতি করতে পারি কিনা।’ পাশাপাশি বাংলাদেশের পেসারদের অনভিজ্ঞতাকেও আমলে আনতে চান গিবসন। এতটুকু দ্বিধা না করে জানিয়ে দিয়েছেন, বোলিং ডিপাার্টমেন্টে অভিজ্ঞতায় ঘাটি আছে বেশ। তাই মুখে এমন কথা, ‘১২ ম্যাচ খেলা ইবাদতই আমাদের সবচেয়ে অভিজ্ঞ পেসার। শরিফুল তার তৃতীয় বা চতুর্থ টেস্ট খেলছে, তাসকিন খেলেছে ৯টি। সেই অনভিজ্ঞ বোলারদের জন্য আজকের দিনটিও ছিল শিক্ষার।’ গিবসনের শেষ কথা, ‘আজকে মানসিকতা ভালো ছিল। স্রেফ বোলিং যতটা গোছানো দরকার ছিল, ততটা হয়নি। যেটা বলেছিলাম, আমাদের ধারণা ছিল উইকেটে সহায়তা যতটা মিলেছে, তার চেয়ে বেশি থাকবে। তাই আমরা ফুল লেন্থে বল করেছি, খুব বেশি সিম মুভমেন্ট ছিল না। নিউজিল্যান্ডের বোলাররা সে সব ডেলিভারি কাজে লাগিয়েছে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ