শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ১০:১৩ পূর্বাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত খবর :
অটিস্টিক শিশুদের আবাসন ও কর্মসংস্থান করবে সরকার   ||   নারীর প্রতি যৌন ও পারিবারিক সহিংসতা ক্রমাগতই বাড়ছে   ||   শান্তিগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের নব-নির্বাচিত সভাপতি হলেন মৃত্যুঞ্জয়ী ছাত্রনেতা ছদরুল ইসলাম  ||

আলিম শ্রেণীতে পিংগলিয়া সিদ্দিকিয়া কামিল মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের অজান্তে ভর্তি প্রক্রীয়ার অভিযোগ।

রিপোর্টার নাম: / ৬১ বার পঠিত:
আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৬ জুন, ২০২৪

ফারুক আহমেদ বাবু

কাশিয়ানী (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

আলিম শ্রেণীতে ভর্তিচ্ছুকদের অজান্তে অনলাইন ভর্তি আবেদন পূরণের অভিযোগ উঠেছে পিংগলিয়া সিদ্দিকিয়া কামিল মাদ্রাসার বিরুদ্ধে।

গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলার পারুলিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে এ বছর পাশ করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনেককেই একই উপজেলার পিংঙ্গলিয়া সিদ্দিকিয়া কামিল মাদ্রাসায় অনলাইন আবেদন করা হয়েছে।

ভর্তিচ্ছুক শিক্ষার্থীরাস জানায়- তাদের পরিক্ষা কেন্দ্র ছিল এই মাদ্রাসায়।
মাদ্রাসা কতৃপক্ষ তাদেরকে বা অভিভাবকদের কিছু না জানিয়ে অনলাইন ভর্তি আবেদন সম্পন্ন করে রেখেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।
এতে করে প্রায় ৩০ শিক্ষার্থীর স্বপ্ন নষ্ঠ হতে চলেছে।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা দেখা দিয়েছে শিক্ষাথী ও অভিভাবকদের ঘিরে।

ক্ষুন্ধ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুরভী খানম, মিতা খানম, হাসিব, আলামিন, নিরব সহ আরো অনেকেই ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করে কালবেলাকে জানায়- পারিবারিক সুবিধা ও ভালো মানের কলেজে পড়ালেখা করতে চেয়েছিলাম কিন্তু দাখিল পরিক্ষার শেষ দিনে পিংগলিয়া সিদ্দিকিয়া কামিল মাদ্রাসার পক্ষ থেকে প্রবেশপত্রের ছবি তুলে রেখেছিল। জানতে চাইলে তিনি বলেন এটা কোন সমস্যা না এমনিতেই তুলেছি।
উত্তীর্ন হওয়ার পর অনলাইন আবেদন করতে গিয়ে এমন বিপাকে পড়তে হবে ভাবিনি।
আবার পিংগলিয়া মাদ্রাসার এক ছাত্র জিহাদ ইসলাম পারিবারিক সমস্যার কারনে অন্যত্র ভর্তি হতে পারছে না। মাকে নিয়ে ঘুরছে প্রতিষ্ঠানটির দ্বারে দ্বারে।
কতৃপক্ষের কাছে এমন প্রতারনা ও জালিয়াতির আবেদনপত্র বাতিল করা সহ জড়িতদের শাস্তির দাবি করে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা।

অভিভাকদের মধ্যে মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোঃ ইয়াসিন মোল্যা  জানান- তাদের সন্তান কে সুবিধাজনক কোন প্রতিষ্ঠানে পড়াবে কিন্তু পিংগলিয়া সিদ্দিকিয়া কামিল মাদ্রাসা কাউকে না জানিয়ে এমন ঘটনা কেন ঘটিয়েছে। প্রতিষ্ঠানের প্রতি এইসব অভিভাবকেরা ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করে দোষীদের শাস্তি দাবি জানান।

এ বিষয়ে অত্র প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মোঃ মুজিবুর রহমানের কাছে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তিনি কোন সদুত্তর দিতে অস্বীকৃতি জানায়।

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মুন্সী ওহিদুজ্জামানের কাছে মুঠো ফোনে জানতে চাইলেবলেন – পরীক্ষার আগে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন বিষয়ে সুযোগ সুবিধা দেওয়া হয়, উত্তীর্ণ হওয়ার পর তারা ভর্তি হতে চাইছে না।তাই শিক্ষার্থীদের ধরে রাখার স্বার্থে এমনটি করলেও করতে পারে অস্বীকার করবো না।

এমন ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মু.রাশেদুজ্জামান জানান অত্র মাদ্রাসার অধ্যক্ষ বা কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের সাথে এমন কাজ করলে অবশ্যই এমনটা অনৈতিক কাজ। শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে তদন্ত পূর্বক সত্যতা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ