বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪, ০৬:৩২ পূর্বাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্ত খবর :
অটিস্টিক শিশুদের আবাসন ও কর্মসংস্থান করবে সরকার   ||   নারীর প্রতি যৌন ও পারিবারিক সহিংসতা ক্রমাগতই বাড়ছে   ||   শান্তিগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের নব-নির্বাচিত সভাপতি হলেন মৃত্যুঞ্জয়ী ছাত্রনেতা ছদরুল ইসলাম  ||

অধিনায়ক মুমিনুলকেই বেশি কৃতিত্ব দিলেন মাশরাফি

বিশেষ সংবাদদাতা / ৪১৬ বার পঠিত:
আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২২
অধিনায়ক মুমিনুলকেই বেশি কৃতিত্ব দিলেন মাশরাফি

সবাই একমত যে, মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে কিউইদের বিপক্ষে জয় ছিল দলীয় প্রচেষ্টার ফল। প্রথমে ব্যাটাররা, পরে বোলাররা বিশেষ করে পেসাররা রেখেছেন মূল ভূমিকা। আর ফিল্ডিংয়েও দারুণ সব ক্যাচ তালুবন্দী হয়েছে। সবমিলিয়ে পারফেক্ট টিম এফোর্ট।

মাত্র এক টেস্টের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন মাহমুদুল হাসান জয় কিংবা তরুণ নাজমুল হাসান শান্ত, সাদমান ইসলাম, অভিজ্ঞ ব্যাটার মুমিনুল হক বা দুর্দান্ত ফর্মে থাকা লিটন দাসের কথাই বলুন, কিংবা বোলিংয়ে মেহেদি হাসান মিরাজের প্রায় একাই স্পিন ডিপার্টমেন্ট সামলানো অথবা পেসার এবাদত হোসেন, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলামদের চোখ ধাঁধানো বোলিং; এমন টিম পারফরম্যান্স অনেক দিন দেখা যায়নি। সবাই যার যার জায়গা থেকে ভূমিকা রেখেছেন। তারপরও জাতীয় দলের সাবেক সফল ও সেরা ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা আলাদা করে কৃতিত্ব দিতে চান মুমিনুল হককে।

মাশরাফির চোখে, এ সাফল্যে অধিনায়ক মুমিনুলের ভূমিকা ও অবদান অনেক। সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়াই শুধু নয়, মাশরাফি মনে করেন-দল অনুপ্রাণিত ও উজ্জীবিত হয়েছে মুমিনুলেরই হাতের ছোঁয়ায়। টেস্ট দলের নেতৃত্ব নিয়ে অনেক রকম ঘটনা ঘটেছে। তারপর মুমিনুলকে যখন দায়িত্ব দেওয়া হয়, সেসময় তিনি কতটা প্রস্তুত ছিলেন, পরে দলের ব্যর্থতায় কতটা সমালোচনা সহ্য করতে হয়েছে, এত কিছুর পরও দলকে উজ্জীবিত রাখা চাট্টিখানি কথা নয়।

মাশরাফি তাই উচ্ছ্বসিত প্রশংসায় ভাসালেন টেস্ট অধিনায়ককে। তিনি বলেন, ‘মুশফিককে সরানোর পর সাকিব আসলো, তারপর সাকিব ছিল না, তখন মুমিনুলকে করা হলো। আমি জানি না মুমিনুলও তখন প্রস্তুত ছিল কি না। তারপর এত সমালোচনা এত কিছু। ওখান থেকে দলটাকে গুছিয়ে এনে ও এত বড় একটা জয় এনে দিয়েছে। পরে কী হবে, এটা পরের ব্যাপার। কিন্তু তাকে কৃতিত্ব দিতেই হবে। এখন দলে যারা আছে, বাইরে থেকে দেখছি সাকিব তামিম নেই মানে দলের অর্ধেক নেই। কিন্তু সে এই দলকেই বুস্ট আপ করেছে। এটা দারুণ ব্যাপার। মুশফিকও ওকে হেল্প করছে। পুরো কৃতিত্ব মুমিনুলকেই দেওয়া উচিত।’

এমন অবিস্মরণীয় সাফল্যের পর সুদূর নিউজিল্যান্ড থেকে মুঠোফোনে অগ্রজপ্রতিম মাশরাফিকে ফোন দিয়েছিলেন মুমিনুল। বৃহস্পতিবার শেরে বাংলায় মিডিয়ার সাথে আলাপে তা জানাতে ভোলেননি মাশরাফি। তিনি বলেন, ‘মুমিনুল কল দিয়েছিল, কিন্তু দুই দেশের সময়ে ফারাক থাকায় কথা হয়নি। আজ চেষ্টা করবো কথা বলার দুই-একজনের সঙ্গে। তবে কথা বলা জরুরি না। ওরা খেলাটা উপভোগ করছে, এত বড় জয় এসেছে। এটা বাংলাদেশের সবার জন্য বিরাট মুহূর্ত।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো সংবাদ